করোনা ভাইরাস। এই রোগের জন্ম ২০১৯ তাই নাম কোভিড-১৯। ল্যাটিন ভাষায় করোনা শব্দের অর্থ মুকুট। এদের চেহারাটা গোল, যা থেকে বেরিয়ে আসে কিছু কৌনিক রেখা, যা অনেকটা সূর্যের চারপাশের রশ্মির মতো। আর ভাইরাস শব্দটির অর্থ হল নোংরা তরল বা বিষ।
সূচিপত্র
করোনা ভাইরাস-১৯ উপসর্গ
এর ভাইরাসের সংক্রমণে শরীরে ফ্লু-এর মতো লক্ষণ দেখা যায়। যেমন:-
(ক) জ্বর (খ) সর্দি (গ) কাশি (ঘ) স্বাস কষ্ট (ঙ) সারা শরীরে ব্যথা (চ) শারীরিক দুর্বলতা (ছ) তীব্র নিউমোনিয়া
করোনা ভাইরাস-১৯ কিভাবে সংক্রমিত হয়:-
(ক) করোনা ভাইরাস ছড়ায় অসুস্থ মানুষ থেকে সুস্থ মানুষের
(খ) বায়ুবাহিত ড্রপলেট বাহিত হয়ে
(গ) সংক্রমিত রোগীর সংস্পর্শে আসা ব্যক্তি থেকে সংক্রামিত হতে পারে
(ঘ) সংক্রামক রোগের বাহক ব্যক্তি বা বস্তু দ্বারা সংক্রমিত হতে পারে
(ঙ) হাঁচি, কাশি ও স্বাস প্রশ্বাসের মাধ্যমে
(চ) জীবানুর সংস্পর্শে আসা যে কোনো মাধ্যম থেকে
(ছ) মাস্ক ও স্যানিটাইজার/সাবান ব্যবহার না করে অসুরক্ষিত থাকা
(ঝ) জীবানুনাশক ব্যবহার বা পরিশুব্ধ না করে অপরের ব্যবহৃত বা জীবানুর সংস্পর্শে আসা দ্রব্য ব্যবহার করা।
করোনা নিয়ন্ত্রণে কী করতে হবে:-
(ক) বার বার হাত ধোয়ার অভ্যাস করতে হবে।
(খ) আলকোহল আছে এমন হ্যান্ডবার / সাবান এবং জল দিয়ে হাত ধুতে হবে।
(গ) হাঁচি কিংবা কাশির সময় নিজের জামার হাতার অপরের অংশ দিয়ে বা রুমাল অথবা টিসু দিয়ে নাক বা মুখ ঢেকে রাখতে হবে। ব্যবহার করা হয়ে গেলে সঙ্গে সঙ্গে টিসু ঢাকনা দেওয়া ময়লা ফেলার পাত্রে ফেলে দিতে হবে।
(ঘ) অনেক লোক উপস্থিত আছে অমং ফেলার স্থান বর্জন করতে হবে।
(ঙ) যদি অসুস্থতা বোধ করো, তাহলে আগামী ২১ দিনের জন্য সবার সঙ্গে মেলামেশা বন্ধ রাখতে হবে এবং পৃথক ঘরে থাকতে হবে। পৃথক শৌচাগার ও সবকিছু আলাদা ব্যবহার করতে হবে এবং ওই সকল বস্তু বা পদার্থ কোনো অবস্থায় অন্যর সংপর্শে আসবে না তা সুনিশ্চিত করতে হবে।
(চ) অসুস্থতা বোধ হয় তাহলে ডাক্তার দেখাতে হবে। ডাক্তার দেখাতে গিয়ে মাস্ক কিংবা কাপড় দিয়ে নাক ও মুখ ঢেকে রাখতে হবে।
(ছ) হাত স্যানিটাইজ না করে নিজের মুখ, চোখ ও নাক স্পর্শ করবে না। প্রকাশ্য থুতু ফেলবে না। ধুমপানের স্থান বর্জন করতে হবে।
(জ) সঠিকভাবে মাস্ক ব্যবহার করতে হবে। মাস্কের সামনে হাত দেওয়া ও গলায় মাস্ক ঝোলানো বিপদজনক।
(ঝ) ঘড়ি, আংটি বা গয়না ব্যবহার বিপদের সম্ভবনা বাড়ে, সেদিকে সতর্ক থাকতে হবে।
(ঞ) সারা শরীর ঢাকা পোশাক, মাথা ঢাকা তুপি, হাতে গ্লাভস, মুখে সর্বদা মাস্ক ব্যবহার করতে হবে।
(ট) সর্বদা দূরত্ব বজায় রাখতেহবে পরিচিত বা অপরিচিত সকল ক্ষেত্রে।
(ঠ) ধোয়া যায় এমন ব্যাগ ব্যবহার করতে হবে। কথাও বসার আগে বা ব্যবহারের আগে নিজের টেবিল-চেয়ার, কম্পিউটার , বই-খাতা-পেন স্যানিটাইজাইড করে ব্যবহার করতে হবে।
(ড) সর্বদা শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখতে হবে পরিচিত বা অপরিচিত সকল ক্ষেত্রে।
(ঢ)গণপরিবহন ব্যবহার করলে বা বাইরে থেকে বাড়িতে ঢোকার সময় পোশাক-পরিচ্ছেদ বদল করে জীবাণুমুক্ত হয়ে ভেতরে প্রবেশ করতে হবে।